Friday, September 8, 2017

"আরাকানে মুসলিম হত্যা"

বজলুর রশীদ চৌধূরী।

আরকান রাজ্যে চলছে খুন করছে বার্মিজ বৌদ্ধ,
ঠান্ডা মাথায় ফেলছে লাশ নহে কোন যুদ্ধ।
লাশের উপর ফেলছে লাশ বাঁধা নাহি পায়,
নারী পুরুষ শিশু সন্তান কান্দে হায়রে হায়।
বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে বুদ্ধিস্ট সব শয়তান,
কুড়াল কুপে সংহার করছে হাজার হাজার প্রাণ।
বিনা দোষে কেন মারে রোহিঙ্গা না বুঝে,
ঝোঁপ জঙ্গলে লুকিয়ে গেলেও ধরে আনে খোঁজে।
খন্ড খন্ড করে দেহ জ্যান্ত প্রাণের উপর,
খুনের নেশায় মেতে উঠছে মধ্য যুগের বর্বর।
নারী পুরুষ করছে জবাই আগুন দিচ্ছে গায়,
এমন হত্যা দেখছ কি কেউ সুন্দর এই ধরায়?
ধরে ধরে নিয়ে যায় করে নির্যাতন,
সবার অঙ্গে চালায় ছুরা করে গণ ধর্ষণ।
শিশুর গলায় পা রেখে আটকে দেয় দম,
বিশ্ববাসী দেখছ কি কেউ এমন কোন যম?
গাছের সাথে বেঁধে মারে মারে বন্দী করে,
নারী পুরুষ কেউ বাকি নাই সন্তান সহ ধরে।
লাশে ভরা আরাকান আজ লিখবো বল কত?
নাফ নদীতে রক্ত স্রোত বইছে অবিরত।
ক্ষুধার জ্বালায় মরছে ওরা মরছে জলে ভেসে,
খুন করে ফেলে খুনী যায় হেসে হেসে।
বিশ্ব বিবেক ঘুমিয়ে আছে কোন সাড়া নাই,
ভিতর থেকে দ্বার বন্ধ বিবেক কোথা পাই?
আকুল সুরে ডাকি মোরা ওগো দয়াময়,
শক্তি সাহস দাও গো তুমি দূর করে দাও ভয়।

লেখক-মিশিগান ,যুক্তরাষ্ট্র ।

Thursday, August 10, 2017

'মনের ভাবনা'

বজলুর রশীদ চৌধূরী
বুকে রেখ ভালবাসা মুখে মধুর বুলি,
সুজনদেরে দাও আদর মনের দুয়ার খুলি।
গরীব দু:খী লয়ে করো মধুর সহ বাস,
সবার সহায় থেকো সদা কইর নাকো নাশ।
উদর ভরা আদর দাও দাও গো ভালবাসা,
মনের কোনে জিইয়ে রেখো স্বপ্নিল সুন্দর আশা।
তিলে তিলে সত্যি একদিন হয়ে যাবে ক্ষয়,
দু:খ কষ্ট যত লাগে প্রাণে যেন সয়।
চেয়ে চেয়ে গেল জীবন না পুরিল আশ,
অঙ্গ ভরা যৌবন গেল না হল আর বাস।
কাঁব্য আমায় দিয়েছে ফাঁকি আর আসবেনা ফিরে,
ভাবের ভাষা অনেক দূর যাচ্ছে ধীরে ধীরে।
মনের কথা কইব কা,কে শুনার মানুষ নাই,
ভাটিয়াল গাংগের তীরে বসি বিদায়ের গান গাই।
কথায় কি ভরে মন যত কথা শুনি,
দিনে দিনে এসব কথা বসে বসে গুণি।
একা ঘরে থাকি আমি শূন্য আমার ঘর,
সকল সাথীর সঙ্গী আছে শুধু আমি পর।
ইশারাতে ডাক আমায় দিয়ে অনেক আশা,
কাকে লয়ে করবো ঘর বাঁধবো সুখের বাসা?
আশার আশে  সবাই আছে এই ভবেরই পর,
কয়দিন পরে হয় যে আবার মাটির নীচে ঘর।
আসার সময় এলাম একা যাবো আবার একা,
মনের মানুষ খোঁজে গেলাম পেলাম না তার দেখা।
এত বড় ধরার পরে আমার সাথী নাই,
নাচে গানে সবাই বিভোর আপন গান গাই।
ক্ষুদ্র এক প্রাণী আমি বেঁচে আছি মরে,
সকল কথার ইতি হবে যেদিন যাবো সরে।
মা বাবা মরে গেছেন পাইনি মায়ার স্বাদ,
চোখের জলে বহে নদী ভাঙ্গে আশার বাঁধ।
শোক সাগরে ভেসে আমি কাটছি কত সাঁতার,
এমন বান্ধব নাই আমার দেখিয়ে দিবে কিনার।
মনের কথা কইনা কোথা চোখের জলে ভাসি,
দয়া কর ওগো দয়াল দেখি তোমার হাসি।
থাকবোনা আর পরবাসে যাবো জনম ভূমি,
যেথায় গেলে পাব আমার মনের ভাবনা তুমি।

লেখক, মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র ।

Tuesday, August 8, 2017

'জন্মদিন'

বজলুর রশীদ চৌধূরী।

এইদিনে মুই জন্ম নিলাম এলাম ধরার পর,
মায়ের কোলে ঠাঁই আমার মায়ের কোলই ঘর।
আত্মীয় স্বজন সবাই খুশী-খুশী জন্মদাতা,
খুশীর জোয়ারে ভাসছে সকল-খুশী আপন মাতা।
পাড়া পড়শী আরো খুশী করছে বলাবলি,
শুভদিন জন্ম ছেলের যেন ফুলের কলি।
তেসরা আগস্ট জন্ম আমার মায়ের ছিল অসুখ,
মা জননী বলতে ইহা পেতেন অনেক দুখ।
জনম আমার সফল হোক দেশের সেবা করি,
এই দোয়া করবেন সবে হৃদয় মন ভরি।
বাংলা আমার ধ্যানের ছবি বাংলা আমার প্রাণ,
বাংলার কোলে জন্ম লয়ে গাহি বাংলার গান।
দেশবাসী পরবাসী বন্ধু বান্ধব যত,
সালাম আদাব নিবেন সবে দোয়া শত শত।

লেখক-মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র ।

Sunday, May 28, 2017

"প্রেমের প্রলাপ"

বজলুর রশীদ চৌধূরী। 
কথায় কি ভরে মন ওগো সাথী ভাই,
সকল দু:খ দূরে যাবে যদি কাছে পাই।
মনের কথা কইব কা'কে শুনার মানুষ নাই,
ব্যথায় ভরা অঙ্গ আমার অন্তর পুড়ে ছাই।
পাগল করা কথা দিয়ে আর মেরোনা আমায়,
পোড়া অঙ্গ এমনি অঙ্গার কত সইবে গাঁয়?
দেখা হবে দেখা হবে আশা করি মনে,
কবে জানি দেখা হবে মরি উচাটনে।
জল কন্যার পাশে বসি দেখি জলের খেলা,
প্রকাশের ভাষা নেই শুধু ভাবের ঠেলা।
তোমার কথা মনে লয়ে কত স্বপণ বুণি,
দূর থেকে শুধু আমি তোমার কথাই শুনি।
ভাল থাক মনের মানুষ ভাল চাই সদা,
সকল দু:খ চলে যাবে সহায় হবেন খোদা।
পোড়া মনে কত কথা আসে আর যায়,
মিটি মিটি বন বায়ূ নিঠুর গান গায়।
বনের পাখি রোদন করে কাঁপিয়ে তুলে ধরা,
জীবন থাকতে ওগো সাধু কেন হলি মরা?
আকাশ বাতাস ঝুরে মরে তোমাকে না পেয়ে,
মায়া ভরা জনম ভূমি আছে পন্থ চেয়ে।

লেখক-মিশিগান, যুক্তরাস্ট্র।

Friday, April 28, 2017

আমার কবি

বজলুর রশীদ চৌধূরী
আকুল সুরে ডাকি আমি ওগো আমার কবি,
তোরা দেশের মনি মুক্তা তোরাই দেশের রবি।
তোদের ধ্যান তোদের জ্ঞান খুঁজি নিরন্তর,
তোদের বাণী লয়ে বেড়াই যুগ যুগান্তর।
বাল্য শিক্ষায় ছিল এক দিন পদ্য পড়ার ধুম,
সুর করে পড়তাম সবে যদিও আসত ঘুম।
তৃণ লতা সবুজ পাতা গাছের কথা বলে,
লিখে গেলে তারকা রাজি কেমন করে চলে
নীল দরিয়ার মনি মুক্তার কে বা সন্ধান পায়!
কেমন করে বীর ডুবুরী সাগর তলে যায়?
অবুঝ শিশু ঘুম পাড়াতে চাঁদ মামাকে ডাক,
ঘুমিয়ে পড়া শিশু তার মায়ের কোলে রাখ।
রূপ নগরের রূপের রানীর রূপের কথা শুনাও
শাহাজাদীর হিরার আংটি রাজ কুমারকে পরাও।
কত অধীন করলে স্বাধীন কাব্য রসের বলে,
কত সৈন্য হল ধন্য দেশের গানের ফলে।
ছন্দে ছন্দে জানিয়ে গেলে অনেক তথ্যের কথা,
আজকে তোদের সেই ছন্দ পাচ্ছে অনেক ব্যথা।
ছন্দের মোহে সাজিয়ে দিলে শ্যামল বাংলার রং,
সেই ছন্দ বন্ধ হয়ে সাজছে কালের ঢং।
কত কাব্য লিখে দিলে জীবন গড়ার তরে,
অনেক বাণী দিয়ে গেলে দর্শণ শাস্ত্র ধরে।
পদ্য গদ্য দুটি শব্দ সদা সর্ব কালে,
আজ অবধি সেই কথা চলছে সমান তালে।
ভাব আবেগে দুটি ভাই দুটি ভাষায় কয়,
সাহিত্যের গর্ভে আবার মহা সুখে রয়।
সাহিত্যকে সাজিয়ে রাখবে গদ্য চির কাল,
পদ্য তার নিজের নৌকায় রাখবে ছন্দের পাল।
গদ্য সাধু চলছে মাঠে পদ্য নাম ধরে,
মিষ্ট ভাষী পদ্য দাদু লজ্জায় যাচ্ছে মরে।
দাপাই দাপাই মাঠ কাঁপাই গদ্য সাধু চলে,
পদ্য মধু ভাসছে এখন বিষাদ ভরা জলে।
আমি কেমন লেখক আর ছন্দ কিসে বুঝি,
কবির কথা স্মরণ করে ছন্দের মিলন খুঁজি।
লেখক-মিশিগান,যুক্তরাষ্ট্র।
 http://bazlurusa.blogspot.com/

Wednesday, April 12, 2017

"সোনার দেশ"

বজলুর রশীদ চৌধূরী
আমি কি আর ভাল কবি লিখব সুন্দর কবিতা,
লিখছি যাহা সত্য তাহা বাংলা মায়ের আত্মকথা।
স্নেহ ভরা মা আমার অঙ্গ ঝরা রূপ,
দেখলে তারে পরাণ ভরে সকল রূপের ধূপ।
মা জনণীর কত সোহাগ ফসল ভরা মাঠ,
গাঁও গেরামে সানাই বাজে বসে খুশীর হাট।
মায়ের বুকে কত ফসল নদীর জলে মাছ,
ভাতে মাছে যুগায় আহার পুরো বার মাস।
নদীর বুকে মাঝি ভাই ভাটিয়ালী গান গায়,
মধুর গানের মিষ্টি সুরে পরাণ ভরে যায়।
মা জনণীর কোলে বসে মনের গান গাই,
ধরার উপর এমন দেশটি অন্য কোথাও নাই।
এমন দেশে জনম আমার গরব করে বলি,
জাতি ভেদ নাইকো হেথায় করি গলাগলি।
বিশ্ব সেরা দৃশ্য ছড়ায় আমার সোনার গ্রাম,
চাষী মজুর কর্মে কর্মে ঝরায় গায়ের ঘাম।
কর্মীর হাতে করছে কাজ বুকে রাখি বল,
কেমন করে সোনার দেশটি হয়ে উঠে সচল।
সবুজ বাংলার মানুষ মোরা সদা বুঝে রব,
নিজের সম্পদ নিজে রাখি নিজে কথা কব।
জ্ঞানী গুণী সবার প্রতি বিনয় করি বেশ,
ধ্যানে মনে থাকে যেন এমন সোনার দেশ।

লেখক-মিশিগান,যুক্তরাষ্ট্র।
http://bazlurusa.blogspot.com

Thursday, February 2, 2017

‘আমার সিলট’

বজলুর রশীদ চৌধূরী
পাহাড় ঘেরা রাজ কুমারী ‘সিলট’ তোমার নাম,
রূপ নগরের রানী তুমি-তুমি মহা থাম।
দৈব সম্পদ পেয়ে ওগো আছ মহাসুখে,
মজার মজার রসের ফল তোমার কোমল বুকে।
সারা অঙ্গে ভরা যৌবন রূপ পড়ে খসে,
পানির পিয়াস মিটার কন্যা কমলালেবুর রসে।
বাংলা মায়ের রূপের বাহার-কামরূপের রানী,
তোমায় পেয়ে মগ্ন মোরা খেয়ে ঝর্ণার পানি।
বড় বড় চা বাগিচা আছ লয়ে কোলে,
আম জাম পিয়ারা লিচু অঙ্গে অঙ্গে দোলে।
ফলের রাজা মজার কাঁঠাল যৌবন রাখে ধরে,
রসে ভরা আনারস দেখলে পরাণ ভরে।
আহামরি সাতকরা তোমার, পেটে জনম,
রাঁধুনীদের ভুলিয়ে মন উন্দাল রাখে গরম।
হাওর, নদী, তেল, গ্যাস, চুনা পাথরের দেশ,
বৃষ্টি ঝরা পানি দিয়ে ধৌত কর কেশ।
বিশ্ব সেরা শীতল পাটী তোমার দেহের দান,
গ্রীষ্মকালে পাড়ায় পাড়ায় পাটী বুনার গান।
কৈ, মাগুর, গজার আর কবুতরের খেলা,
তাদের দিকে চেয়ে থাকলে চলে যায় বেলা।
কত সুন্দর ক্বীন ব্রীজ রূপ পড়ে ঝরি,
দেখলে আরো নয়ন ভরে আলী মিয়ার ঘড়ি।
সুরমা, কুশি, খোয়াই, মনু সদা বয়ে চলে,
কত প্রাণের জীবন বাঁচে এই নদীর জলে।
সদর বাড়ীর ডাক বাংলায় বসাও লোকের আসর,
অন্দর মলে শুয়ে তুমি কাটাও রাতের বাসর।
কত রাজা মহারাজা জীবন দিয়ে গেল,
তোমার প্রেমে বিভোর হয়ে তোমায় নাহি পেল।
আয় শাম আয় শাম ডাকে হল আসাম,
তোমার গর্ভের জন্ম নিল কামরূপের শাম।
সাত পাহাড়ে তান্ত্রিক লীলা কামলাখ কামাখ্যা,
ইতিহাসের পাতায় গেলে মিলে ইহার ব্যাখা।
কন্দরেতে কাপালিক করছে বিজন বাস,
রক্তপূজা করে ওরা পুরায় মনের আশ।
ইন্দ্রজাল কোঁকা পন্ডিত মন্ত্রপুত করি,
ভেড়া বানিয়ে রাখ নাগর সিন্ধুক কোনে ভরি।
বিচিত্র এক রমনী তুমি সবই ভালবাস,
হিংসা দ্বেষ নাইকো তোমার সবার সুখে হাস।
গৌড় লাউড় বিজয় জৈয়ন্তা তোমার রূপে পাগল,
অলি সর্দার শাহ্জালাল করে দিলেন আগল।
পীর মুরিদের দেশ তোমার বাতাস ভরা রহমত,
এই রহমতে ঘুমিয়ে আছেন কত নেক বখত।
শাহ্জালালের পূন্যভুমি অলি আউলিয়ার খেলা,
ভক্ত মুরীদ ধন্য হয় এসে এই জেলা।
প্রবাসীদের মিলন মেলা তোমার পাড়ায় পাড়ায়,
মায়া ভরা ‘আমার সিলট’ গৌরবের গান গায়।
বেঁচে রহ রাজ দুলালী থাক চির সুন্দর,
সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ুক তোমার রূপের খবর।
তোমায় লয়ে কিংবদন্তী রসের কথা কয়,
মহা মায়ায় পড়ে সবাই তোমার কোলে রয়।
এলোকেশে দাঁড়িয়ে আছ হাতে কসুম ডালি,
যত বিলাও তত বাড়ে হয় না কভু খালি।
কপাল তুমি খোশাল তুমি কলগী তোমায় বলে,
মায়ার সিলট আমার সিলট রহমত সাথে চলে।

লেখক-মিশিগান,যুক্তরাষ্ট্র।

Saturday, January 14, 2017

‘রক্তঝরা একুশ’

বজলুর রশীদ চৌধূরী
রক্তঝরা একুশ আমার ভাষা শহীদের দান,
একুশ আমার মায়ের ভাষা, একুশ বাংলার গান।
বছর বছর আসে একুশ, ব্যথায় ভরা বুক,
রক্তে রক্ষা মুখের ভাষা, ভাবতে লাগে দুখ।
সালাম বরকত রফিক শফিক, জব্বার আরো কত,
শহীদ হলেন ভাষার তরে, গাজী শত শত।
ছেলে হারা মায়ের কান্না, বাবার আহাজারি,
ভাষা গানে রূপ পেল, একুশ ফেব্রুয়ারী।
বাংলা সংখ্যা একুশ আমার বাড়ায় জাতির মান,
মূখের ভাষা রাখতে ঐদিন শহীদ কত প্রান।
একুশ পড়ি একুশ ধরি একুশ আমার জিকির,
একুশ আমায় শিখিয়ে দিল স্বাধীনতার ফিকির।
বায়ান্নের ঐ ভাষা যুদ্ধে - মায়ের ভাষা রয়,
যুদ্ধে গড়া জাতি মোরা - বীরের পরিচয়।
রক্তমাখা বর্ণ আমার আছি বুকে ধরে,
অ আ ক খ বলি,- হৃদয় উজার করে।
একুশ আমার মূখের ভাষা, একুশ আমার আদর,
একুশ আমায় পরিয়ে দিল - স্বাধীন বাংলার চাদর।
স্বাধীন দেশ স্বাধীন জাতি,- রইবে চিরকাল,
আমার একুশ কইবে কথা - সালের পর সাল।

লেখক-মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র।